রবিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২১, ০৯:১৮ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ

চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবহারকারী শ্রমিক কর্মচারী লীগ আয়োজিত ২১ শে আগষ্ট গ্রেনেড হামলা বেগম আইভি রহমান সহ সকল শহীদের স্বরণে আলোচনা সভা।

আমান উল্লাহ বাদশা। ব্যুরো প্রধান চট্টগ্রাম। এ বি সি টেলিভিশন
  • Update Time : শনিবার, ২১ আগস্ট, ২০২১
  • ১৪৯ Time View

চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবহারকারী শ্রমিক কর্মচারী লীগ(সিবিএ) আয়োজিত ২১ শে আগষ্ট গ্রেনেড হামলা দিবসে বেগম আইভি রহমান সহ সকল শহীদের স্বরণে খতমে কোরআান দোয়া,মিলাদ মাহফিল ও আলোচনা সভা আজ বিকেলে নিমতলা সিবিএ অফিসে অনুষ্ঠিত হয়।উক্ত অনুষ্ঠানে সংগঠনের সভাপতি মীর মোহাম্মদ নওশাদের সভাপতিত্বে উক্ত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন জাতীয় শ্রমিক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ সভাপতি ও চট্রগ্রাম মহানগর আওয়ামীলীগ এর উপদেষ্টা মোহাম্মদ শফর আলী,

এসময় প্রধান অতিথী তাঁর বক্তব্য বলেন কি কারণে বিএনপি জামাত জোট সরকার ২১ শে আগস্ট ২০০৪ সাল সমাবেশে জননেত্রী শেখ হাসিনাকে গ্রেনেড হামলা করে হত্যা করতে চেয়েছিলো ২১ শে আগস্ট ২০০৪ সাল ২৩ বঙ্গবন্ধু এভিনিউস্হ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে সন্ত্রাস, জঙ্গীবাদ,ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ এর সমাবেশে  তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা বক্তব্য রাখার প্রাক্কালে বিএনপি জামাত সন্ত্রসীরা সমাবেশে গ্রেনেড হামলা করে মহিলা আওয়ামীলীগের সভানেত্রী আইভি রহমান সহ ২৪ জন কে নির্মম ভাবে হত্যা কর ১৯৭৫ এর ১৫ ই আগস্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধুকে স্বপরিবারে হত্যা করে, তখনি তাঁর  কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহেনা দেশের বাহিরে থাকার কারনে ভাগ্য ক্রমে বেঁচে যান, এর পর পরই ৩রা নভেম্বর বঙ্গবন্ধুর বিস্হস্ত  জাতীয় চার আস্হাভাজন নেতাকে কারাগারে বন্দি অবস্হায় গুলি করে নির্মম ভাবে হত্যাকরে, এই হত্যাকান্ডের পর খুনীরা ভেবে ছিলো বঙ্গবন্ধু আদর্শ, চেতনা কে এদেশ থেকে চিরতরে মুছে এদেশের স্বাধীনতাকে ছিনতাই করে ভূখন্ডকে দখলের মাধ্যমে আওয়ামীলীগকে নিশ্চিন্ন করে পাকিস্তানী তাবেদার রাস্ট্রে পরিণত করতে। কিন্ত বঙ্গবন্ধুর সাহসী কন্যা জীবন বাজী রেখে এদেশের গনতন্ত্রকে পুনঃরুদ্ধারের লক্ষে বঙ্গবন্ধুর হত্যাকান্ডের ছয় বৎসর পর  ১৯৮১ সালে  এদেশে প্রত্যাবর্তন করেন, দশ বৎসর লড়াই সংগ্রাম করে স্বৈরাচার এরশাদের পতন ঘটিয়ে গনতন্ত্র ফিরে আনার পর নির্বাচনে বিএনপি  কারচুপির মাধ্যমে হ্মমতায় এসে স্বৈরাচারীও রাজাকার মিলে আবার এদেশে সন্ত্রাস লুটপাট, দুর্নীতি  দমন পীড়ন হামলা মামলা মাধ্যমে  আওয়ামীলীগ এর নেতা কর্মীদের হত্যা করে রক্তের হোলী খেলায় মেতে উঠে বিএনপি ও জামাত শিবির সন্ত্রাসী ও তার লেলিয়ে দেওয়া প্রশাসন পুলিশ বাহিনী, এর প্রতিবাদে জননেত্রী শেখ হাসিনার  নেতৃত্বে সারাদেশে রাজপথে আন্দোলনে  ফেটে পড়ে  আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীরা ও জনগন, এক টানা চলে অসহযোগ আন্দোলন, ১৯৯৬ সালে তীব্র আন্দোলনে পতন ঘটিয়ে স্বৈরচারি খালেদা সরকারের, এর পর নির্বাচনে জয়ী হয়ে আওয়ামীলীগ সরকার গঠন করে, আওয়ামীলীগ হ্মমতায় এসে হত্যা,সন্ত্রাস, দুনীতি, প্রতিরোধ করে সামাজে সুস্হ পরিবেশ ফিরিয়ে এনে দেশে যাতায়াত,শিক্ষা, স্বাস্হ্য,বিদ্যুৎ, ও অর্থনীতিতে উন্নয়নের শিহড়ে পৌছে দেয়, এবং আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে নিদিষ্ট সময়ে হ্মমতা হস্তান্তর করে, আবার নীল নকশার কারচুপির নির্বাচনে বিএনপি জামায়াত জোট হ্মমতায় আসে শুরু হয়ে যায় মানুষের ঘর বাড়ী লুট করে জায়গা দখল, চলে হাজার কোটি টাকার লুট পাটের মহা উৎসব, চলে সারা দেশে, মাদকের ব্যবসা, সন্ত্রাস ও দুনীতি, নেতৃত্ব শূন্য করতে শুরু করে বিরোধী দলের নেতা কর্মীদের নির্বিচারে  হত্যা গুম, সে হত্যা কান্ডের শিকার হন দেশের আইন জীবি,সাংবাদিক,ব্যবসায়ী,ছাত্র, শিক্ষক, বুদ্ধিজীবি, সে হত্যার রাজনীতিকে আরো বেগবান করতে দেশে আনেন দশ ট্রাক অস্ত্র যা কিনা ২০০৪ সালে ৭ এপ্রিল চট্টগ্রামের সাহসী জনগন আটক করে, অস্ত্র চালানের অপরাধীদের গ্রেফতার এর দাবীতে জননেত্রী শেখ হাসিনার  আন্দোলন শুরু হলে সে আন্দোলন কে নসাৎ করতে ও আন্দোলন রত জনগন কে ভয়ভীতি ও আতংকিত করে  জঙ্গীবাদের উৎথান গঠনের লক্ষে ১৭ই আগস্ট ২০০৪ সালে সারা দেশে একই সময়ে একই সাথে ৬৪ জেলায় সিরিজ বোমা হামলা ঘটানো হয়,  এর প্রতিবাদে জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সারা দেশে মিছিল মিটিং প্রতিবাদ শুরু হয়, সন্ত্রাস, জঙ্গীবাদ, দুর্নীতি বিরুদ্ধে ২০০৪ সালে ২১ আগস্ট বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ ২৩ বঙ্গবন্ধু এভিনিউ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে সমাবেশে  প্রধান অতিথি হিসাবে তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেত্রী বর্তমান প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা বক্তব্য দেওয়ার প্রাক্কালে শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্য সমাবেশে একের পর এক বোমা নিহ্মেপ ও গুলি করে সে হামলায় প্রয়াত রাস্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের সহ ধর্মিনী আওয়ামীলীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদীকা আইভি রহমান সহ ২৪ জন আওয়ামীলীগের নেতাকর্মী নিহত হয়, আল্লাহর অশেষ রহমতে সেদিন এই দেশের গরীব দূঃখি ,অসহায় নির্যাতিত নিপীড়িত মানুষের আশা আখাংঙ্কার শেষ ঠিকানা  জননেত্রী শেখ হাসিনা প্রানে বেঁচে যান ,আজ ২১ আগস্ট সেই বর্বর নির্মম হত্যাকান্ডের  সকল শহীদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধান্ঞ্জলী হত্যাকান্ডে জড়িত হোতা দের বের করে মৃত্যুদন্ডে দন্ডিত করে দৃস্টান্ত মূলক শাস্তি দেওয়া হোক তবে শহীদের আত্মা শান্তি পাবে, দেশে হবে বিচারের দৃস্টান্ত,

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন,সংগঠনের সাধারন সম্পাদক হাজী মোহাম্মদ আলমগীর,সহ সভাপতি হাজী মোহাম্মদ হাসান,আবু বক্কর ছিদ্দিক,মোহাম্মদ হুমায়ন,যুগ্নঃ সাধারন সম্পাদক উৎপল বিশ্বাস,হাজী মোঃ নাছির, মোঃ জসীম উদ্দিন,আমিনুল ইসলাম ভুইয়া,শহিদুল্ল্যা,মোঃ সোহেল চৌধুরী,মোঃ সেলিম, নুর  করিম, মোঃ সেলিম,মোঃ জয়নালসহ প্রমুখ।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2021 abcbdtv
Design & Develop BY ABC BD TV
themesba-lates1749691102